দশম শ্রেণী (পঞ্চম অধ্যায়): বিকল্প চিন্তা ও উদ্দোগ হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (পঞ্চম অধ্যায়): বিকল্প চিন্তা ও উদ্দোগ হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
১. কোন বছর শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা কোনটি?
উত্তর:- শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা হল ‘সমাচার দর্পণ’ (১৮১৮ খ্রি.)।
৩. ‘Compendio Spiritual Da Vida Christa’ নামে গ্রন্থটি কোথায় মুদ্রিত হয়েছিল?
উত্তর:- ‘Compendio Spiritual Da Vida Christa’ নামে গ্রন্থটি পোর্তুগিজদের গোয়ার মুদ্রণযন্ত্রে (১৫৬১ খ্রি.) মুদ্রিত হয়েছিল।
৪. ‘Compendio Spiritual Da Vida Christa’ বইটি কোথায় সংরক্ষিত আছে?
উত্তর:- ‘Compendio Spiritual Da Vida Christa’ বইটি নিউইয়র্কের পাবলিক লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
৫. ঢাকা প্রেস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ঢাকা প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
৬. চিনে কবে মুদ্রণশিল্পের আবিষ্কার হয়?
উত্তর:- ৫৯৩ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ চিনে মুদ্রণশিল্পের আবিষ্কার হয়।
৭. কোন ছাপাখানায় কলকাতার প্রথম ক্যালেন্ডার মুদ্রিত হয়?
উত্তর:- জেমস অগাস্টাস হিকি-এর ছাপাখানায় কলকাতার প্রথম ক্যালেন্ডার মুদ্রিত হয়।
৮. প্রথম কোন বাঙালি ছাপাখানার জন্য অক্ষরের ছাঁচ বা টাইপ তৈরি করেন?
উত্তর:- পঞ্চানন কর্মকার প্রথম বাঙালি হিসেবে ছাপাখানার জন্য অক্ষরের ছাঁচ বা টাইপ তৈরি করেন।
৯. বাংলায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোন সাহেবের নাম জড়িত?
উত্তর:- বাংলায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রুজ সাহেবের নাম জড়িত।
১০. চিনের মুদ্রণপ্রযুক্তি কাদের মাধ্যমে ইউরোপে পৌঁছেছিল?
উত্তর:- চিনের মুদ্রণপ্রযুক্তি আরবদের মাধ্যমে ইউরোপে পৌঁছেছিল।
১১. বাংলা মুদ্রণশিল্পে পঞ্চানন কর্মকারের অবদান কী?
উত্তর:- পঞ্চানন কর্মকার উন্নত বাংলা অক্ষরের ছাঁচ বা টাইপ তৈরি করেন।
১২. লাইনো টাইপ দিয়ে প্রথম কোন বইটি ছাপা হয়?
উত্তর:- লাইনো টাইপ দিয়ে প্রথম ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হালহেড রচিত ‘এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ (১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দ) বইটি প্রকাশিত হয়।
১৩. শ্রীরামপুর ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত একটি বাংলা সাহিত্যের নাম লেখো।
উত্তর:- শ্রীরামপুর ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত একটি বাংলা সাহিত্য হল রামরাম বসুর ‘প্রতাপাদিত্য চরিত্র’।
১৪. বোম্বাইয়ে কবে প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয়?
উত্তর:- বোম্বাইয়ে ১৬৭০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয়।
১৫. কে, কবে চুঁচুড়ায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর:- চুঁচুড়ায় প্রথম চার্লস উইলকিনস ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
১৬. শিশুশিক্ষা-বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য বাংলা বই কোনটি?
উত্তর:- শিশুশিক্ষা-বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য বাংলা বই হল মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা ‘শিশুশিক্ষা’।
১৭. কে, কবে ‘বর্ণপরিচয়’ গ্রন্থটি রচনা করেন?
উত্তর:- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে ‘বর্ণপরিচয়’ গ্রন্থটি রচনা করেন।
১৮. এশিয়াটিক সোসাইটির পত্রিকার নাম কী ছিল?
উত্তর:- এশিয়াটিক সোসাইটির পত্রিকার নাম ছিল ‘এশিয়াটিক রিসার্চেস’।
১৯. বাংলার প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
উত্তর:- বাংলার প্রথম সংবাদপত্র ‘দিগদর্শন’ (১৮১৮ খ্রি.)।
২০. ঢাকায় প্রথম কবে ছাপাখানা স্থাপিত হয়?
উত্তর:- ঢাকায় প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
২১. বিদ্যাসাগর সাট’ বলতে কী বোঝো?
উত্তর:- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা মুদ্রণের কাজে সহায়তার জন্য অক্ষর সংযোজনের বিশেষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। এই পদ্ধতি ‘বিদ্যাসাগর সাট’ নামে পরিচিত।
২২. ‘অন্নদামঙ্গল’ গ্রন্থের চিত্রগুলি কে এঁকেছেন?
উত্তর:- ‘অন্নদামঙ্গল’ গ্রন্থের চিত্রগুলি এঁকেছিলেন শিল্পী রামচাঁদ রায়।
২৩. পূর্ববঙ্গের কোথায়, কবে প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয়?
উত্তর:- পূর্ববঙ্গের রংপুরে প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে।
২৪. ‘বাঙ্গালা শিক্ষাগ্রন্থ’-টি কে রচনা করেন?
উত্তর:- ‘বাঙ্গালা শিক্ষাগ্রন্থ’-টি রচনা করেন রাধাকান্ত দেব।
২৫. প্রথম কোথায় প্রসেস প্রিন্টিং-এর বিকাশ শুরু হয়?
উত্তর:- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ইউ রায় অ্যান্ড সন্স নামে ছাপাখানায় প্রথম প্রসেস প্রিন্টিং-এর বিকাশ শুরু হয়।
২৬. কে ‘টুনটুনির বই’ রচনা করেন?
উত্তর:- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ‘টুনটুনির বই’ রচনা করেন।
২৭. ‘পাখি সব করে রব’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর:- ‘পাখি সব করে রব’ কবিতাটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা।
২৮. ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত গোবিন্দপ্রসাদ দাস রচিত উল্লেখযোগ্য পাঠ্যবই কোনটি?
উত্তর:- ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত গোবিন্দপ্রসাদ দাস রচিত উল্লেখযোগ্য পাঠ্যবই হল ‘ব্যাকরণ সার’।
২৯. অষ্টাদশ শতকে কলকাতার সবচেয়ে বড়ো ছাপাখানা কোনটি ছিল?
উত্তর:- অষ্টাদশ শতকে কলকাতার সবচেয়ে বড়ো ছাপাখানা ছিল ‘অনারেবল কোম্পানিজ প্রেস’।
৩০. বাবুরাম কত খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত প্রেস প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর:- বাবুরাম ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত প্রেস প্রতিষ্ঠা করেন
৩১. ‘শিশুসেবধি’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
উত্তর:- ‘শিশুসেবধি’ গ্রন্থটি রচনা করেন ক্ষেত্রমোহন দত্ত।
৩২. সবচেয়ে পুরোনো বাংলা মুদ্রিত বইয়ের নমুনা কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর:- সবচেয়ে পুরোনো বাংলা মুদ্রিত বইয়ের নমুনা পাওয়া যায় ১৬৮২ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে মুদ্রিত একটি বইয়ে।
৩৩. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম চিত্রিত গ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তর:- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম চিত্রিত গ্রন্থটি হল ১৮১৬ সালে কলকাতার ফেরিস অ্যান্ড কোম্পানির ছাপাখানা থেকে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের উদ্যোগে প্রকাশিত রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য।
৩৪. আনুমানিক কবে, কোন দেশে সর্বপ্রথম মুদ্রণশিল্পের উদ্ভব ঘটে?
উত্তর:- আনুমানিক ৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে চিনে সর্বপ্রথম মুদ্রণশিল্পের উদ্ভব ঘটে।
৩৫. কে, কবে আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করেন?
উত্তর:- জার্মানির জোহানেস গুটেনবার্গ ১৫৫৪ খ্রিস্টাব্দে আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
৩৬. কে ‘ছাপাখানার জনক’ নামে পরিচিত?
উত্তর:- জার্মানির জোহানেস গুটেনবার্গ ‘ছাপাখানার জনক’ নামে পরিচিত।
৩৭. ভারতের কোথায়, কারা প্রথম আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন?
উত্তর:- ভারতের গোয়ায় পোতুর্গিজরা প্রথম আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন।
৩৮. আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ভারতের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান কোনটি?
উত্তর:- আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ভারতের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানটি হল ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স’ বা আই এ সি এস।
৩৯. আই এ সি এস-এর নিজস্ব পত্রিকার নাম কী ছিল?
উত্তর:- আই এ সি এস-এর নিজস্ব পত্রিকার নাম ছিল ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ফিজিক্স’।
৪০. জাতীয় শিক্ষা পরিষদের অধীনে গড়ে ওঠা অন্যতম কলেজটির নাম লেখো।
উত্তর:- জাতীয় শিক্ষা পরিষদের অধীনে গড়ে ওঠা অন্যতম কলেজটির নাম বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ।
৪১. কে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নিযুক্ত হন?
উত্তর:- রাসবিহারী ঘোষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নিযুক্ত হন।
৪২. ‘টেক’ কাদের প্রকাশিত জার্নাল?
উত্তর:- ‘টেক’ হল ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’-এর ছাত্রছাত্রীদের প্রকাশিত জার্নাল।
৪৩. কে ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল্স’ প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর:- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল্স’ প্রতিষ্ঠা করেন।
৪৪. কে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর:- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
৪৫. কবে, কোথায় প্রথম জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ৮ নভেম্বর রংপুরে প্রথম জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪৬. বর্তমানে ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’ কলকাতার কোথায় অবস্থিত?
উত্তর:- বর্তমানে ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’ কলকাতার যাদবপুরে অবস্থিত।
৪৭. কোথায় প্রথম ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়?
উত্তর:- ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১৬ নভেম্বর পার্ক স্ট্রিটের এক সভায় প্রথম ‘জাতীয় শিক্ষা পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
৪৮. কত জন সদস্য নিয়ে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠিত হয়?
উত্তর:- ৯২ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠিত হয়।
৪৯. কে. কবে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর:- স্যার উইলিয়াম জোনস ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
৫০. কারিগরি শিক্ষার বিকাশের উদ্দেশ্যে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত দুটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম লেখো।
উত্তর:- কারিগরি শিক্ষার বিকাশের উদ্দেশ্যে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত দুটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হল জাতীয় শিক্ষা পরিষদ ও বেঙ্গল টেকনিকাল ইন্সটিটিউট।
৫১. রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে কীরূপ পরিবেশে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলেন?
উত্তর:- রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে প্রাকৃতিক পরিবেশে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলেন।
৫২. কারা ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স- এর পৃষ্ঠপোষকতা করেন?
উত্তর:- গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স-এর পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
৫৩. CET-এর পুরো নাম কী?
উত্তর:- CET-এর পুরো নাম হল ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’।
৫৪. রবীন্দ্রনাথ কখন গ্রামবাংলার মানুষের দুর্দশার আসল রূপটি দেখতে পান?
উত্তর:- পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব (১৮৯৬ খ্রি.) পেয়ে রবীন্দ্রনাথ প্রথম গ্রামবাংলার মানুষের দুর্দশার আসল রূপটি দেখতে পান।
৫৫. কারা কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন?
উত্তর:- কলকাতা বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন তারকনাথ পালিত এবং রাসবিহারী ঘোষ।
৫৬. কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’-তে কী বিষয় পড়ানো হত?
উত্তর:- ‘কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’-তে কলাবিভাগের বিভিন্ন বিষয়, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন প্রযুক্তি, শিল্প প্রযুক্তি প্রভৃতি বিষয় পড়ানো হত।
আরোও পড়ুন
- দশম শ্রেণী (প্রথম অধ্যায়): ইতিহাসের ধারণা হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (দ্বিতীয় অধ্যায়): সংস্কার বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (তৃতীয় অধ্যায়): প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ-বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (চতুর্থ অধ্যায়): সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (ষষ্ঠ অধ্যায়): কৃষক, শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন- বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (সপ্তম অধ্যায়): নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
- দশম শ্রেণী (অষ্টম অধ্যায়): উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত হতে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)