২০২৫ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ইতিহাস বিষয়ে সম্পূর্ণ সিলেবাসের সাজেশন্ ভিত্তিক পিডিএফ নোটস্ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুণ (দাম প্রতি ক্লাস ৯৯ টাকা)।

👉Chat on WhatsApp

ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদ সম্পর্কে ভার সরকার ও হায়দ্রাবাদের নিজামের মধ্যে কী ধরনে নীতিগত সম্পর্ক দেখা যায়?

দশম শ্রেণীর ইতিহাস অষ্টম অধ্যায়-উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত: বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭-১৯৬৪) হতে ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদ সম্পর্কে ভার সরকার ও হায়দ্রাবাদের নিজামের মধ্যে কী ধরনে নীতিগত সম্পর্ক দেখা যায় তা আলোচনা করা হল।

Table of Contents

ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদ সম্পর্কে ভার সরকার ও হায়দ্রাবাদের নিজামের মধ্যে কী ধরনে নীতিগত সম্পর্ক দেখা যায়?

প্রশ্ন:- ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদ সম্পর্কে ভার সরকার ও হায়দ্রাবাদের নিজামের মধ্যে কী ধরনে নীতিগত সম্পর্ক দেখা যায়?

ভূমিকা:- ব্রিটিশরা ভারত ত্যাগ করার সময় ভারতীয় ভূখণ্ডে যে অসংখ দেশীয় রাজ্যের অস্তিত্ব ছিল সেগুলির মধ্যে আয়তনে সর্ববৃহৎ ছিল হায়দ্রাবাদ। এখানকার শাসক মুসলিম হলেও জনসংখ্যার অন্তত ৮০ শতাংশই ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বী। ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদ সম্পর্কে ভারত সরকার ও হায়দ্রাবাদের নিজামের নীতি পরস্পরের পৃথক ছিল।

হায়দ্রাবাদের নীতি

ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর হায়দ্রাবাদের নিজাম এবং সেখানকার অভিজাত মুসলিম সম্প্রদায় হায়দ্রাবাদকে ভারত বা পাকিস্তান কোনো রাষ্ট্রেরই অন্তর্ভুক্ত না করে হায়দ্রাবাদকে একটি পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।

ভারতের নীতি

ভারতের পক্ষে হায়দ্রাবাদের পৃথক ও স্বাধীন অস্তিত্ব মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। কারণ, হায়দ্রাবাদ ছিল ভারতের মধ্যভাগে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। হায়দ্রাবাদের মধ্য দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ ও সড়কপথ ছিল। হায়দ্রাবাদের মানুষ ও ইতিহাস রাজ্যটির ভারতীয়ত্বের প্রমাণ দেয়।

উপসংহার:- হায়দ্রাবাদের নিজাম মুসলিম হলেও দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রজা ছিল হিন্দু। তাই নিজাম হায়দ্রাবাদের স্বাধীন অস্তিত্ব বজায় রাখতে চাইলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রজারা চেয়েছিল হায়দ্রাবাদ ভারত রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হোক। সামরিক অভিযান চালিয়ে ভারত হায়দ্রাবাদের প্রজাদের ইচ্ছাকেই পূর্ণতা দিয়েছিল।

দশম শ্রেণী ইতিহাস সিলেবাস অষ্টম অধ্যায়: উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত: বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭-১৯৬৪)

৮.১. দেশীয় রাজ্যগুলির ভারত-ভুক্তির উদ্যোগ ও বিতর্ক

(১৯৪৭ এবং ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের দুটি মানচিত্র ব্যবহার করে আলোচ্য পরিপ্রেক্ষিতে ভারত রাষ্ট্রের পরিবর্তিত আন্তঃ ও বহির্সীমানা চিহ্নিত করতে হবে)

টুকরো কথা

কাশ্মীর প্রসঙ্গ
হায়দ্রাবাদের অন্তর্ভুক্তি

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি, আলোচ্য ঘটনাগুলির সময় সারণি)

৮.২. ১৯৪৭ সালের পরবর্তী উদবাস্তু সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ ও বিতর্ক

(৮.২.ক.) উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধান ও বিতর্ক
(৮.২.খ.) আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথায় দেশভাগ

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি, আলোচ্য ঘটনাগুলির সময়সারণি)

৮.৩. ভাষার ভিত্তিতে ভারতে রাজ্য পুনর্গঠনের উদ্যোগ ও বিতর্ক

(১৯৪৮ এবং ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের দুটি মানচিত্র ব্যবহার করে আলোচ্য পরিপ্রেক্ষিতে ভারত রাষ্ট্রের পরিবর্তিত আন্তঃমানচিত্র চিহ্নিত করতে হবে)

টুকরো কথা

রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন ও আইন (১৯৫৫-১৯৫৬)

সংবিধানে স্বীকৃত ভাষাসমূহ (১৯৬৪ পর্যন্ত)

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি, আলোচ্য ঘটনাগুলির সময়সারণি)

Leave a Comment