২০২৫ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ইতিহাস বিষয়ে সম্পূর্ণ সিলেবাসের সাজেশন্ ভিত্তিক পিডিএফ নোটস্ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুণ (দাম প্রতি ক্লাস ৯৯ টাকা)।

👉Chat on WhatsApp

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

দশম শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় অধ্যায়-সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হল।

Table of Contents

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

প্রশ্ন:- ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

ভূমিকা :- ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের কাজে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এই কাজে রামমোহন রায়, রাধাকান্ত দেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, ডেভিড হেয়ার, এলিয়ট ড্রিংকওয়াটার বেথুন প্রমূখ ব্যক্তি ও বিভিন্ন খ্রিস্টান মিশনারী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল।

রামমোহনের উদ্যোগ

রামমোহন ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার জন্য জোরালো সওয়াল করেন। সরকার ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনের দ্বারা ভারতের শিক্ষাখাতে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নিলে রামমোহন তৎকালীন বড়োলাট লর্ড আর্মহাস্টকে চিঠি লিখে এই টাকা পাশ্চাত্য শিক্ষাদানে ব্যয় করার দাবি জানান। তিনি ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ‘অ্যাংলো-হিন্দু স্কুল’প্রতিষ্ঠা করে এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার পথ সুগম করেন।

রাধাকান্ত দেবের উদ্যোগ

পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারের ক্ষেত্রে রাজা রাধাকান্ত দেব উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। নারীদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে তিনি ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে ‘স্ত্রীশিক্ষা বিধায়ক’ নামে একটি পুস্তক প্রকাশ করেন। ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ‘হিন্দু মেট্রোপলিটন কলেজ’-এর পরিচালন সমিতির সভাপতি নিযুক্ত হন।

ডেভিড হেয়ারের উদ্যোগ

পেশায় ঘড়ি ব্যবসায়ী ডেভিড হেয়ার তাঁর উপার্জন করা প্রচুর অর্থ পাশ্চাত্য শিক্ষার কাজে ব্যয় করেন। তাঁর সক্রিয় উদ্যোগে ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য তিনি ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে ‘পটলডাঙ্গা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে হেয়ার স্কুল নামে পরিচিত।

বেথুনের উদ্যোগ

ব্রিটিশ কর্মচারী জন এলিয়ট ড্রিংক ওয়াটার বেথুন পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে নেটিভ ফিমেল স্কুল নামে হিন্দু বালিকা বিদ্যালয় এবং কিছু পরে একটি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই স্কুলটি ‘বেথুন স্কুল’ এবং কলেজটি ‘বেথুন কলেজ’ নামে পরিচিত।

বিদ্যাসাগরের উদ্যোগ

পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিশেষ ভূমিকা ছিল। বেথুন কর্তৃক ‘হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার কাজে তিনি ছিলেন প্রধান সহযোগী। ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতায় মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে বিদ্যাসাগর কলেজ নামে পরিচিত। এছাড়াতিনি ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে নদিয়া, বর্ধমান, হুগলি ও মেদিনীপুর জেলায় ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

খ্রিস্টান মিশনারিদের উদ্যোগ

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের উদ্যোগ ছিল প্রশংসনীয়। তাঁদের উদ্যোগেই ‘ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি’ (১৮১৯ খ্রি.), ‘ক্যালকাটা ফিমেল স্কুল’ (১৮২৮ খ্রি.) প্রভৃতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি গড়ে ওঠে। এই প্রসঙ্গে রবার্ট মে, মিস কুক, মিসেস কুক, মেরি উইলসন, মেরি কার্পেন্টার প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।

 অন্যান্য উদ্যোগ

এছাড়া শেরবোন কর্তৃক জোড়াসাঁকোতে ইংরেজি বিদ্যালয় স্থাপন, গৌরমোহন আঢ্যর ‘ওরিয়েন্টাল সেমিনারি’ স্থাপন (১৮২৮ খ্রি.) ছিল ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তারের কাজে গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগ।

উপসংহার :- ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তারের কাজে বেসরকারি উদ্যোগ শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়, বিশেষ প্রয়োজনীয়ও ছিল। শিক্ষানুরাগী বিভিন্ন ব্যক্তির এই প্রচেষ্টার ফলে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার গতি ত্বরান্বিত হয়েছিল।

দশম শ্রেণীর ইতিহাস (দ্বিতীয় অধ্যায়) সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে অন্যান্য সংক্ষিপ্ত রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর

দশম শ্রেণী ইতিহাস সিলেবাস দ্বিতীয় অধ্যায়- সংস্কার বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে সকল সংক্ষিপ্ত রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তরগুলি দেওয়া হল।

২.১. উনিশ শতকের বাংলা সাময়িকপত্র, সংবাদপত্র ও সাহিত্যে সমাজের প্রতিফলন

(২.১.ক.) বামাবোধিনী

(২.১.খ.) হিন্দু প্যাট্রিয়ট

(২.১.গ.) হুতোম প্যাঁচার নকশা

(২.১.ঘ.) নীলদর্পণ

(২.১.ঙ.) গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা

উপরিউক্ত আলোচনার নিরিখে এই প্রসঙ্গগুলির বিশেষ আলোচনা করতে হবে (আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)।

২.২. উনিশ শতকের বাংলা শিক্ষাসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.২.ক.) প্রাচ্য শিক্ষা-পাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্ব

(২.২.খ.) ইংরেজি শিক্ষার প্রসার

(২.২.গ.) নারী শিক্ষা ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

(২.২.ঘ.) পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ

(২.২.ঙ.) রাজা রামমোহন রায়

(২.২.চ.) রাজা রাধাকান্ত দেব

(২.২.ছ.) ডেভিড হেয়ার

(২.২.জ.) জন এলিয়ট ড্রিংক ওয়াটার বীটন বা বেথুন

(২.২.ঝ.) কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ

(২.২.ঞ.) চিকিৎসাবিদ্যার বিকাশ

(২.২.ট.) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষার বিকাশ

টুকরো কথা: মধুসূদন গুপ্ত

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৩. উনিশ শতকের বাংলা-সমাজসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৩.ক.) ব্রাহ্মসমাজসমূহের উদ্দোগ

(২.৩.খ.) সতীদাহপ্রথা বিরোধী আন্দোলন

(২.৩.গ.) নব্যবঙ্গ গোষ্ঠী

(২.৩.ঘ.) বিধবাবিবাহ আন্দোলন

টুকরো কথা: হাজি মহম্মদ মহসীন

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৪. উনিশ শতকের বাংলা-ধর্মসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৪.ক.) ব্রাহ্ম আন্দোলন-বিবর্তন, বিভাজন, বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৪.খ.) রামকৃষ্ণের সর্বধর্মসমন্বয়’-এর আদর্শ

(২.৪.গ.) স্বামী বিবেকানন্দের ধর্মসংস্কারের অভিমুখ

(২.৪.ঘ.) নব্য বেদান্ত-বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

টুকরো কথা: 

লালন ফকির
বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৫. “বাংলার নবজাগরণ”-এর চরিত্র ও পর্যালোচনা,

উনিশ শতকের বাংলায় ‘নবজাগরণ’ ধারণার ব্যবহার বিষয়ক বিতর্ক

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)।

Leave a Comment