২০২৫ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ইতিহাস বিষয়ে সম্পূর্ণ সিলেবাসের সাজেশন্ ভিত্তিক পিডিএফ নোটস্ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুণ (দাম প্রতি ক্লাস ৯৯ টাকা)।

👉Chat on WhatsApp

শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান

দশম শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় অধ্যায়-সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করা হল।

শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে বিদ্যাসাগরের অবদান, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের বিবরণ দাও, বাংলার নবজাগরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর অবদান, বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান, শিক্ষা সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের বিবরণ দাও

Table of Contents

শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান

প্রশ্ন:- শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা কর।

ভূমিকা :- শিক্ষাবিস্তারের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বাংলার জনশিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও নারীশিক্ষার প্রসারে এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

মডেল স্কুল স্থাপন

শিক্ষার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যাসাগর বাংলার বিভিন্ন জেলায় মডেল স্কুল বা আদর্শ বিদ্যালয় স্থাপন করেন। এগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় তিনি নিজ ব্যয়ে চালাতেন।


ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষা সংস্কার, সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো, কোন বাঙালি বাংলায় নারীশিক্ষার প্রসারে সর্বপ্রথম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেন, শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো


নারী শিক্ষার প্রসার

বিদ্যাসাগর বুঝেছিলেন যে নারী সমাজের মুক্তির জন্য তাদের শিক্ষার অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে সক্রিয় উদ্যোগ নেন। তাঁর উদ্যোগে গ্রামাঞ্চলে ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে জন এলিয়ট ড্রিংকওয়াটার বেথুনের সহায়তায় কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন হিন্দু ফিমেল স্কুল, যা বর্তমানে বেথুন স্কুল নামে পরিচিত।

মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশন

শিক্ষাবিস্তারের কাজে বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল কলকাতায় মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশনের প্রতিষ্ঠা। বর্তমানে এটি বিদ্যাসাগর কলেজ নামে পরিচিত।

মাতৃভাষায় শিক্ষাদান

মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের উপর বিদ্যাসাগর প্রথম থেকেই জোর দিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার গুরুত্বকে অস্বীকার করেননি। এরই পাশাপাশি তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন।


শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র, বিদ্যাসাগরের অবদান, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর অবদান, নারী শিক্ষা বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্রের অবদান লেখো, বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করো, নারী শিক্ষা প্রসারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান, বিদ্যাসাগরের অবদান


পাঠ্যপুস্তক রচনা

শিক্ষাবিস্তারের কাজে একটি অন্যতম আবশ্যিক উপাদান হল পাঠ্যপুস্তক। বিদ্যাসাগর নিজে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ‘বর্ণপরিচয়’, ‘কথামালা’, ‘বোধোদয়’, ‘নীতিবোধ’ প্রভৃতি পাঠ্যপুস্তক রচনার মধ্য দিয়ে তিনি এই কাজে অগ্রসর হন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -এর কাছে তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার প্রথম যথার্থ শিল্পী।

নিয়মকানুন তৈরি

শিক্ষার কাজে তিনি বেশকিছু নিয়ম কানুন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কেবলমাত্র ব্রাহ্মণ ও বৈদ্য সন্তানরা সংস্কৃত পড়তে পারবে এই নীতি তুলে দিয়ে তিনি সকল বর্ণের হিন্দু ছাত্রদের জন্য সংস্কৃত পড়ার দ্বার খুলে দেন। তিনি শিক্ষকদের ইচ্ছামতো আসা ও যাওয়া বন্ধ করে নতুন নিয়ম কানুন প্রবর্তন করেন। পাশাপাশি রবিবার ছুটির নিয়ম চালু করেন।

উপসংহার :- মানবদরদি, ন্যায় ও সত্যের জন্য দ্বিধাহীন সংগ্রামের প্রতিমূর্তি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলায় শিক্ষা প্রসারের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেগিয়েছেন। তিনি তার একাধিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলায় সর্বসাধারণের জন্য নবরূপে শিক্ষার সূচনা করেছিলেন। নারীশিক্ষার প্রসারে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে তিনি নারীশিক্ষা বিস্তারের পথিকৃৎ হয়ে রয়েছেন।


ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রবন্ধ রচনা class 12, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অবদান, শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে বিদ্যাসাগরের অবদান, শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে বিদ্যাসাগরের অবদান, সমাজ সংস্কারক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনী, শিক্ষা বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্রের ভূমিকা, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষাজীবন, বিদ্যাসাগর রচিত যে কোনো দুটি শিক্ষামূলক গ্রন্থের নাম লেখো, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের বিবরণ দাও


দশম শ্রেণীর ইতিহাস (দ্বিতীয় অধ্যায়) সংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে অন্যান্য সংক্ষিপ্ত রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর

দশম শ্রেণী ইতিহাস সিলেবাস দ্বিতীয় অধ্যায়- সংস্কার বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা হতে সকল সংক্ষিপ্ত রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তরগুলি দেওয়া হল।

২.১. উনিশ শতকের বাংলা সাময়িকপত্র, সংবাদপত্র ও সাহিত্যে সমাজের প্রতিফলন

(২.১.ক.) বামাবোধিনী

(২.১.খ.) হিন্দু প্যাট্রিয়ট

(২.১.গ.) হুতোম প্যাঁচার নকশা

(২.১.ঘ.) নীলদর্পণ

(২.১.ঙ.) গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা

উপরিউক্ত আলোচনার নিরিখে এই প্রসঙ্গগুলির বিশেষ আলোচনা করতে হবে (আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)।

২.২. উনিশ শতকের বাংলা শিক্ষাসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.২.ক.) প্রাচ্য শিক্ষা-পাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্ব

(২.২.খ.) ইংরেজি শিক্ষার প্রসার

(২.২.গ.) নারী শিক্ষা ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

(২.২.ঘ.) পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ

(২.২.ঙ.) রাজা রামমোহন রায়

(২.২.চ.) রাজা রাধাকান্ত দেব

(২.২.ছ.) ডেভিড হেয়ার

(২.২.জ.) জন এলিয়ট ড্রিংক ওয়াটার বীটন বা বেথুন

(২.২.ঝ.) কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ

(২.২.ঞ.) চিকিৎসাবিদ্যার বিকাশ

(২.২.ট.) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষার বিকাশ

টুকরো কথা: মধুসূদন গুপ্ত

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৩. উনিশ শতকের বাংলা-সমাজসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৩.ক.) ব্রাহ্মসমাজসমূহের উদ্দোগ

(২.৩.খ.) সতীদাহপ্রথা বিরোধী আন্দোলন

(২.৩.গ.) নব্যবঙ্গ গোষ্ঠী

(২.৩.ঘ.) বিধবাবিবাহ আন্দোলন

টুকরো কথা: হাজি মহম্মদ মহসীন

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৪. উনিশ শতকের বাংলা-ধর্মসংস্কার: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৪.ক.) ব্রাহ্ম আন্দোলন-বিবর্তন, বিভাজন, বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

(২.৪.খ.) রামকৃষ্ণের সর্বধর্মসমন্বয়’-এর আদর্শ

(২.৪.গ.) স্বামী বিবেকানন্দের ধর্মসংস্কারের অভিমুখ

(২.৪.ঘ.) নব্য বেদান্ত-বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

টুকরো কথা: 

লালন ফকির
বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)

২.৫. “বাংলার নবজাগরণ”-এর চরিত্র ও পর্যালোচনা,

উনিশ শতকের বাংলায় ‘নবজাগরণ’ ধারণার ব্যবহার বিষয়ক বিতর্ক

(আলোচনার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক ছবি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন প্রভৃতি)।

Leave a Comment